enneagramwing

3 নম্বর ধরনের বিকাশের ধাপ

Enneagram ৩ নম্বর ধরনের বিকাশের ধাপ: ফল আর তার দর্শক

সিঁড়ির মাঝখানটা তিন নম্বর ধরনের বেলায় ভালো কেরিয়ারের মতো দেখায়, আর বাইরে থেকে উপরের সঙ্গে তফাত ধরা যায় না; তাই ফলাফলের অবস্থা এই ধরন সম্বন্ধে কম বলে। এখানে নয়টি ধাপ পরপর, অবস্থার মাঝের দুটি সীমানা আর তিনটি প্রশ্ন, যা দিয়ে আপনি অন্যের রায় ছাড়া নিজেকে মিলিয়ে নেবেন। নয়টির যেটিতেই থাকুন, আপনি তিন নম্বর ধরন: বদলায় ধরন নয়, ফল নিয়ে মানুষ কী করে।

01

নয়টি ধাপ

  1. 1 নম্বর ধাপ

    হিসাবের বাইরে কাজ

    ফল পুরোটা কাজের হাতে দেওয়া। তিন নম্বর ধরন ভালো কাজ করে, কারণ অন্যরকম করতে জানে না, আর কেউ সেটা খেয়াল করুক এমন দরকার তার নেই: যা হল তা কাজের আর যাদের জন্য করা তাদের, তালিকার নয়। বাইরে চিহ্ন: পুরস্কারের সন্ধ্যায় সে পেছনের সারিতে বসে আর আগে উঠে যায়, কারণ সকালে কাজ আছে।

  2. 2 নম্বর ধাপ

    নিজের মাপে ভরসা

    ফল সেটাই জানায়, যা তিন নম্বর ধরন নিজের সম্বন্ধে এমনিতেই জানে, আর আবার যাচাই করতে হয় না। জোর যায় নিজের মাপে, অন্যদের মধ্যে নিজের জায়গায় নয়; তাই নতুন কিছুতে হাত দিতে আটকায় না, গোনা হবে কি না না জেনেই। চিহ্ন: সে নতুন জিনিস শেখে এমন ঘরে, যেখানে সে সবচেয়ে কাঁচা, আর তাতে থামে না।

  3. 3 নম্বর ধাপ

    সবার জন্য তোলা মাপ

    ফল সবার মাপ হয়ে ওঠে। তিন নম্বর ধরন দেখিয়ে দেয় কতটা সম্ভব, আর সেটা ছড়ায়: তার পাশে মানুষ ভাবনার চেয়ে বেশি করে, আর তার জন্য নিজের নাম পায়। স্বীকৃতি নিজে আসে আর কাজের পাশে বাড়তি জিনিস হয়ে থাকে। চিহ্ন: বাইরের লোক তার দলের লোকেদের নাম জানে তার নামের চেয়ে বেশি বার, আর সে সেটাই চেয়েছিল।

  4. 4 নম্বর ধাপ

    জায়গার জন্য দৌড়

    ফল প্রথমবার অন্যের ফল দিয়ে মাপা হয়। তিন নম্বর ধরনের আর ভালো করা যথেষ্ট নয়: কারো চেয়ে ভালো হতে হবে, আর সেটা দেখা যেতে হবে। যে মনোযোগ আগে নিজে আসত, এখন লাগে: যে কাজের খবর কেউ পেল না, সেটা গোনায় পড়ে না। চিহ্ন: একই দিনে দুজনের ভালো খবর এলে সে নিজেরটা আগে বলে নেয়।

  5. 5 নম্বর ধাপ

    কাজের বদলে দেখানো

    ফল দেখানো ফলের নিজের চেয়ে এগিয়ে যায়। তিন নম্বর ধরন খাটে কাজটা কেমন দেখায় তার পেছনে, আর যেখানে করা আর দেখানোর মধ্যে বাছতে হয়, সেখানে দেখানো বাছে। ঘরে ভূমিকা একটাই, উপস্থিতদের মধ্যে সেরা, আর সে সেটা ধরে রাখে, যা-ই লাগুক। চিহ্ন: ছবি তোলার আগে সে টেবিল সাজায়, আর ছবি হয়ে গেলে খাবার ঠান্ডা।

  6. 6 নম্বর ধাপ

    আদায় করা তারিফ

    তারিফ লাগে মাইনের মতো, আর যেটুকু কম পড়ে তা তিন নম্বর ধরন নিজেই পুষিয়ে নেয়: নিজের কাজ বলার সময় বাড়ে, অন্যের কাজ ছোট হয়। অন্যের দাম বাতিল করে সেই হাত, যা নিজের দামের জন্য কাঁপে: মানুষকে সে দেখে নজরে নেওয়ার অযোগ্য বলে। চিহ্ন: যে তার কাজে লাগবে না, তাকে সে একই ঘরে দ্বিতীয়বার চিনতে পারে না।

  7. 7 নম্বর ধাপ

    লুকিয়ে রাখা হার

    ফল এখন রক্ষা করা হয়, বানানো হয় না। হারটা ঘটে গেছে, তিন নম্বর ধরন সবার আগে জানে, তবে সত্যিটা বন্ধ: সংখ্যা ঠিকঠাক করা, তারিখ পিছিয়ে বসানো, অন্যের অংশ নিজের বলা। প্রতিটি পা খরচ হয় যাতে আগের কথা কেউ যাচাই না করে। চিহ্ন: সোজা প্রশ্নের উত্তর সে দেয় একটা গল্প দিয়ে, যাতে সংখ্যাটা কোথাও নেই।

  8. 8 নম্বর ধাপ

    অন্যের ফলে হাত

    রক্ষা আক্রমণ হয়ে যায়। তিন নম্বর ধরনের নিজেরটা লুকানো যথেষ্ট নয়, অন্যেরটা পাশে না দাঁড়াক: সঙ্গীকে সময়সীমা ফসকানোর দিকে ঠেলা, প্রতিদ্বন্দ্বীকে গুজবে টপকানো, সবার কাজ কর্তার হাত থেকে সরানো। ফাঁকটা এখন অন্যের ক্ষতি দিয়ে ধরা। চিহ্ন: সভায় অন্যের ভুল সে তোলে তখনই, যখন সেটা আর সারানো যায় না।

  9. 9 নম্বর ধাপ

    সাক্ষী মুছে ফেলা

    হারের কথা মনে করায় এমন সব কিছু ভাঙা হয়: যারা দেখেছিল, যে কাগজে লেখা রয়ে গেছে, যে সম্পর্কে কথাটা মুখে আনা যেত। ফল আর নেই, আছে শুধু তার স্মৃতি, আর তিন নম্বর ধরন লড়ে তার প্রত্যেকের সঙ্গে, যার কাছে সেটা রয়ে গেছে। চিহ্ন: পুরনো ছবিগুলো ফোন থেকে গেছে, আর যে বন্ধু সেই ছবিতে ছিল, সেও।

02

নামা কীভাবে শুরু হয়

  1. সামর্থ্যেমূল জিনিসটা নিজের ইচ্ছায় দেওয়া হয়
    প্রথম সীমানা: ইচ্ছার জিনিস দায় হয়ে ওঠে
  2. মাঝামাঝিতেমূল জিনিসটা অন্যের কাছে দাবি হয়ে ওঠে
    দ্বিতীয় সীমানা: ভয়টা সত্যি হয়
  3. কবলেমূল জিনিসটা বাঁচাতে গিয়ে ভাঙা হয়

তিন আর চার নম্বর ধাপের সীমানা যায় মনোযোগের উপর দিয়ে। সামর্থ্যে মনোযোগ তিন নম্বর ধরনের কাছে নিজে আসে, আর না এলে কাজ খারাপ হয় না। সীমানা পেরোনো সেই মুহূর্ত, যখন সে নিজেকে তাড়াতে শুরু করে জায়গা আর নজরের জন্য, কাজের জন্য নয়: ফলটা নির্দিষ্ট কিছু লোকের চোখে পড়তেই হবে, নইলে সেটা গোনা হয় না। বাইরে থেকে প্রথম পা প্রায় দেখা যায় না, কাজ আগের মতোই ভালো চলে। বদলায় প্রশ্নের ক্রম: আগে প্রথমে আসত এখানে কী করা দরকার, এখন আসে এটা কে দেখবে।

ছয় আর সাত নম্বর ধাপের সীমানা যায় হারের সত্যির উপর দিয়ে। মাঝামাঝিতে দেখানো কাজকে ছাড়িয়ে যায়, তবে কাজটা পেছনে দাঁড়িয়ে থাকে, আর যেকোনো দাবি যাচাই করা যায়: তিন নম্বর ধরন যাচাই সামলে নেবে। নিচে পেরোনো সেই মুহূর্ত, যখন ভয়টা, যে দাবিগুলো ফাঁকা, সত্যি হয়ে যায়: হার সত্যি, সে জানে, আর সেদিন থেকে সে কাজকে নয়, কাজের দাবিকে ধরে রাখে। এই অবস্থার জন্য যা আর ফেরে না, তা যাচাই হতে পারার সুযোগ: সীমানার নিচে যাচাই একটা হুমকি, আর জীবন সাজানো হয় যাতে সেটা না ঘটে।

03

কী আবার তুলে আনে

  1. সামর্থ্যে
    দ্বিতীয় ফেরা: হালকা লাগা এক জিনিস নয়
  2. মাঝামাঝিতে
    প্রথম ফেরা: যে কাজ কেবল সীমানার এই দিক থেকে করা যায়
  3. কবলে

কবল থেকে মাঝামাঝিতে তিন নম্বর ধরনকে নতুন সাফল্য ফেরায় না: নিচ থেকে সেটা শুধু আড়ালটা লম্বা করে। ফেরায় একটা কাজ, যা কেবল এখানেই সম্ভব, কারণ কেবল এখানেই ফেরত দেওয়ার কিছু আছে: নিজের করে নেওয়াটা ফিরিয়ে দেওয়া। যার নাম সরানো হয়েছিল তার নাম বলা, ঠিকঠাক করা সংখ্যাটা আগের জায়গায় বসানো, সময়সীমা তখনই ফসকেছিল বলে মানা। মাঝামাঝিতে এই কাজটা নেই, ফেরত দেওয়ার কিছু নেই। নিচে এটাই একমাত্র কাজ, যা কাজের দিকে ফেরানো, দাবির দিকে নয়, আর তারপর দাবির আর পাহারা লাগে না।

সামর্থ্যে ফেরাকে হালকা লাগা থেকে আলাদা করতে হয়: মাঝামাঝিতে হালকা নিয়ম করে আসে, দেখানো আবার কাজ করছে, স্বস্তি। এটা ওঠা নয়, এটা খবর যে জানালাটা ঠিক আছে। ওঠা দেখায় অন্যরকম: যে ফলের কথা কেউ জানবে না, সেটা হারানো মনে হয় না। তিন নম্বর ধরন এমন কাজ করে, যার হিসাব দেওয়ার কেউ নেই, আর কাউকে খোঁজেও না। মনোযোগ থাকে, তবে সেই শর্ত থাকে না, যাতে কাজটা আছে বলে ধরা হয়।

04

আপনি এখন কোথায়

  1. ইচ্ছায়, নাকি করতেই হয় বলে

  2. ভয়টা কি সত্যি হয়ে গেছে

  3. ভালো সপ্তাহের পরে আর খারাপ সপ্তাহের পরে কোথায় ফেরেন

ফলাফল অবস্থা দেখায়, ধাপ নয়

শেষ যে কাজটা আপনি ভালো করে করেছেন, সেটা নিন আর মনে করুন কে কে সেটা জানে। কেউ না জানলে, একই রকম করে করতেন? এটা তিন নম্বর ধরনের সামর্থ্য আর মাঝামাঝির সীমানার প্রশ্ন: যেখানে নজর ছাড়া করা কাজ গোনায় পড়া বন্ধ করে, সেখানে নজর আর কাজের বাড়তি জিনিস নয়, কাজের শর্ত। অন্য সীমানার প্রশ্ন আলাদা। আপনার জীবনে এখন এমন একটা দাবি আছে কি, যাকে আপনি কাজের বদলে ধরে রাখছেন: একটা সংখ্যা, একটা তারিখ, একটা নাম, যা সত্যির সঙ্গে মেলে না বলে আপনি জানেন, আর নজর রাখেন যেন কেউ যাচাই না করে? এমন একটা জিনিসই মাঝামাঝিকে কবল থেকে আলাদা করে, কারণ মাঝামাঝিতে যাচাইকে ভয় পাওয়া হয় না, আর নিচে তার জন্য জীবন সাজানো হয়। আর অভ্যস্ত ধাপ। যে সপ্তাহে সব হল আর সবাই দেখল, তার পরে আপনি কোথায় ফেরেন: যে কাজটা করতে ইচ্ছে করে সেখানে, নাকি পরের দর্শকের খোঁজে? আর যে সপ্তাহে ভেঙে পড়ল, তার পরে: কাউকে বলতে, নাকি এমন করতে যাতে কেউ না জানে? দুবারই যে ধাপে ফেরেন, সেটাই আপনার অভ্যস্ত।

05

প্রশ্ন

একটা ধাপ ওঠায় কত সময় যায়?

একসঙ্গে দুটো গতিতে। এখন যে ধাপে আছেন, সেটা বদলায় এক দিনে: একটা ভালো সভা এক ধাপ তোলে, একটা লুকানো সংখ্যা এক ধাপ নামায়। অভ্যস্ত ধাপ, যেখানে ফিরে আসেন, বদলায় বছরের হিসাবে, আর সরে তখন, যখন ফেরাটা অন্য জায়গায় হতে শুরু করে। তাই ওঠা মাপা যায় না ভালো সপ্তাহ দিয়ে, মাপা যায় খারাপ সপ্তাহের পরে কোথায় ফিরলেন তা দিয়ে।

কবলে থাকা তিন নম্বর ধরন কি অন্য ধরন হয়ে যায়?

না। নিচে তিন নম্বর ধরন হয় নিজের সবচেয়ে খারাপ সংস্করণ: ফল নিয়ে সে যা করে তা একই থাকে, বদলায় দিক, দেওয়া থেকে রক্ষায়। নিচে অন্য ধরনের সঙ্গে মিল বাড়ে, কারণ নয়জনের আড়ালের চালগুলো মুক্ত চালের চেয়ে বেশি মেলে, তবে তিন নম্বর ধরনের নয় নম্বর ধাপ আর আট নম্বর ধরনের নয় নম্বর ধাপ দুটো আলাদা অবস্থা, আর সেগুলো আলাদা করেই গোনা হয়।

তিন নম্বর ধরনের সিঁড়ির মাঝখানটা সাফল্যের মতো দেখায় কেন?

কারণ চার আর পাঁচ নম্বর ধাপ তিন নম্বর ধরনকে মাপার মতো জিনিস এনে দেয়: পদ, প্রকল্প, পুরস্কার, আর কাজের যোগফল দিয়ে অবস্থান তুলনা করা বৃথা। সামর্থ্যের সঙ্গে তফাত পরিমাণে নয়, এই পরিমাণ কীসের উপর ঝুলে আছে তাতে। চার আর পাঁচ নম্বর ধাপে সেটা নির্দিষ্ট লোকের নজর, প্রথম তিনটিতে এমন কোনো শর্ত নেই।

সামর্থ্যে থেকেও কি অনেক কাজ করা যায়?

যায়, আর সামর্থ্যে তিন নম্বর ধরন কম কাজ করে না, বেশিও করে। তফাত পরিমাণে নয়, কাজটা কেউ দেখবে না জানলে কী ঘটে তাতে: প্রথম তিন ধাপে সেটা একই রকম করে করা হয়, চার নম্বর থেকে নিচে সেটা অর্থ হারায় বা পিছিয়ে যায়। কাজের পরিমাণ সিঁড়িতে তিন নম্বর ধরনের জায়গা মাপে না, তাই এখানে প্রশ্ন কত নয়, প্রশ্ন কীসের জন্য।

সাত নম্বর ধাপে হারটা কেউ খেয়াল না করলে কী হয়?

ভালো কিছু নয়। সাত নম্বর ধাপে তিন নম্বর ধরন কাজকে নয়, দাবিকে বাঁচায়, আর খেয়াল না করা হার সেটা বাতিল করে না, শুধু মেয়াদ বাড়ায়। যাচাই ছাড়া প্রতিটি মাস যোগ করে সেই জিনিস, যা পরে আরও বাঁচাতে হবে, আর আট নম্বর ধাপে যাওয়াটা ধরা পড়ার পরে নয়, আগে ঘটে: যখন নিজেরটা পাহারা দেওয়া আর যথেষ্ট থাকে না, অন্যেরটায় হাত দিতে হয়।

এরপর কোথায়

এটি সাধারণ ক্রমের একটি জায়গা। ব্যক্তিত্ব পরীক্ষা দিলে ক্রমটি আপনার জন্য সেজে যাবে।

  1. 01উচ্চাকাঙ্ক্ষীআপনি কে
  2. 023w23w4আপনার রং
  3. 03এখন আপনি কোন অবস্থায়এখন আপনি কোন অবস্থায়আপনি এখানেপাতাটি লেখা হচ্ছে

নিজের ধরন, ডানা আর ধাপ জানুন

১০৮টি প্রশ্ন, ফলাফল সঙ্গে সঙ্গে

নিজের ধরন, ডানা আর ধাপ জানুন